বুধবার, ০৬ জুলাই ২০২২

বন্যায় জামালপুরে ৩৮ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ

শেয়ার করুন

বন্যার পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এরই মধ্যেই সরিষাবাড়িতে ১০টি ও ইসলামপুরে ২৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পানি ওঠার ফলে বন্ধ হয়ে গেছে। পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে আরো বন্ধ হবার কথাও জানান দায়িত্বপ্রাপ্তরা। দেওয়ানগঞ্জে বিভিন্ন স্কুলে বানভাসিরা আশ্রয় নেয়ার ফলে পাঠদান বন্ধ হয়ে গেছে।
যমুনা, ব্রহ্মপুত্রসহ শাখা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। রোববার সন্ধ্যা পর্যন্ত যমুনার পানি বেড়ে বাহাদুরাবাদ ঘাট পয়েন্টে বিপদসীমার ৩২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে।

সরিষাবাড়ী উপজেলায় ১৬টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পানি প্রবেশ করায় শিক্ষার্থীদের পাঠদান বন্ধ করে দিয়েছেন উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা। পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে আস্তে আস্তে আরো অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাবে।

অপরদিকে ইসলামপুরে যমুনা, ব্রহ্মপুত্র, জিঞ্জিরামসহ শাখা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। উপজেলার চিনাডুলী, সাপধরী, নোয়ারপাড়া, বেলগাছা ও কুলকান্দি ইউনিয়নে নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলগুলোতে বন্যা দেখা দিয়েছে। এসব এলাকার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বসতবাড়ি, ফসলি জমি পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে।

ইসলামপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ফেরদৌস হাসান জানান, বন্যার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় উপজেলা পশ্চিমাঞ্চলের ২৫ বিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আরিফা আক্তার জানান, যমুনার তীরবর্তী এলাকার ৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। তবে বেসরকারি হিসেবে ডুবে যাওয়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা আরো বেশি বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মেহেদী হাসান টিটু জানান, পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হলেও বন্যা পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নেয়নি। বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সবধরনের প্রস্তুতি রয়েছে।

শেয়ার করুন »

লেখক সম্পর্কে »

মন্তব্য করুন »

Translate »