এক মালিকের কোম্পানির মূলধন বাধ্যবাধকতা প্রত্যাহার চায় বিল্ড


বাংলাদেশের কণ্ঠ ডেস্ক প্রকাশের সময় : জানুয়ারী ২৭, ২০২৩, ৫:০০ অপরাহ্ন /
এক মালিকের কোম্পানির মূলধন বাধ্যবাধকতা প্রত্যাহার চায় বিল্ড

অনলাইন ডেস্ক : একক মালিকানার কোম্পানিতে নূ্যনতম ২৫ লাখ টাকার বাধ্যবাধকতা প্রত্যাহার চেয়েছে বিজনেস ইনিশিয়েটিভ লিডিং ডেভেলপমেন্ট-বিল্ড। গতকাল বৃহস্পতিবার বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশির সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাতে বিল্ডের চেয়ারপারসন ব্যারিস্টার নিহাদ কবির এ সুপারিশ করেন। বিল্ডের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে যা জানানো হয়।

নিহাদ কবির বলেন, উচ্চ পরিশোধিত মূলধনের বাধ্যবাধকতা আরোপের কারণে একক মালিকানাধীন কোম্পানি, বিশেষ করে এসএমইভিত্তিক এ ধরনের কোম্পানি তেমন বাড়ছে না। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে বর্তমানে আরোপিত ২৫ লাখ টাকা পরিশোধিত মূলধনের বাধ্যবাধকতা বাতিল করা দরকার। তিনি মনে করেন, মূলধনে নূ্যনতম সীমা আরোপ না করে সর্বোচ্চ সীমা আরোপ করা যেতে পারে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, তাঁর মন্ত্রণালয় ট্রেড লাইসেন্স নবায়নের মেয়াদ ৫ বছর পর্যন্ত বাড়ানোসহ বিদ্যমান ব্যবসার লাইসেন্স বা রেজিস্ট্রেশন পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করার জন্য অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ অব্যাহত রাখবে। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাঁর মন্ত্রণালয় গত নভেম্বর মাসে আমদানি নিবন্ধন সার্টিফিকেট ও রপ্তানি নিবন্ধন সার্টিফিকেট ১ বছরের পরিবর্তে ৫ বছরের জন্য দেওয়ার একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে।

আরজেএসসির পরিষেবা পূর্ণ অটোমেশনের জন্য বিল্ড প্রস্তাবিত সুপারিশের উল্লেখ করে টিপু মুনশি বলেন, ‘আমরা কিছু অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়া সংস্কারের মাধ্যমে দ্রুত সম্পূর্ণ অটোমেশনের জন্য কাজ করছি এবং অচিরেই নিবন্ধন পরিষেবা অনলাইনে প্রদানের মাধ্যমে কাগজবিহীন অফিস হতে চাই।’

এমসিসিআই সভাপতি মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, সরকার ট্রেড লাইসেন্সের নবায়নের সময়সীমা পাঁচ বছর পর্যন্ত বাড়ানোর কার্যক্রম হাতে নিয়েছে, যাতে লাইসেন্স বার্ষিক নবায়নের জটিলতা কমিয়ে ব্যবসায় প্রক্রিয়া সহজতর করা যায়। তবে ইউনিয়ন পরিষদ এবং পৌরসভাসহ সব স্তরে ট্রেড লাইসেন্স প্রদান প্রক্রিয়া একই রকম সহজতর করার পাশাপাশি দ্রুত বাস্তবায়নের ওপর জোর দিতে হবে।

বিল্ডের সিইও ফেরদৌস আরা বেগম বলেন, স্থানীয় সরকার বিভাগ কর্তৃক ৫ বছর ভিত্তিক ট্রেড লাইসেন্স প্রদান বা নবায়নের বিজ্ঞপ্তিটি একটি দুর্দান্ত পদক্ষেপ। তবে বিজ্ঞপ্তিটি পৌরসভা এবং ইউনিয়ন পরিষদের জন্য প্রযোজ্য না হওয়ায় অনেক ক্ষুদ্র উদ্যোক্তার এখনও এটি একটি উদ্বেগের বিষয়।