মহানবীকে নিয়ে কটূক্তিকারী আসাদ নুরের বাড়িতে পুলিশের অভিযান


বাংলাদেশের কণ্ঠ ডেস্ক প্রকাশের সময় : অগাস্ট ৮, ২০২৩, ৬:০৮ অপরাহ্ন /
মহানবীকে নিয়ে কটূক্তিকারী আসাদ নুরের বাড়িতে পুলিশের অভিযান

বামনা (বরগুনা) প্রকিনিধিঃ মহানবী হজরত মুহাম্মদ (স:) ও পবিত্র কুরআন শরীফ নিয়ে কটূক্তিকারী নাস্তিক আসাদুজ্জামান আসাদ নুরকে গ্রেফতারের জন্য তার বাড়িতে অভিযান চালিয়েছেন বরগুনার আমতলী থানা পুলিশ। যদিও আসাদ নুর পলাতক থাকায় তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়নি পুলিশ।

তথ্য সূত্রে জানা যায়, আসাদুজ্জামান আসাদ নুর আমতলী উপজেলার উত্তর টিয়াখালী গ্রামের তোফাজ্জেল হোসেনের পুত্র। তিনি ২০১৭ সালের দিকে নিজ জন্মভূমি ত্যাগ করেন। পরবর্তীকালে তার সাথে আর পরিবারের কোনো যোগাযোগ হয়নি। যদিও তিনি আত্মগোপনে থেকে ‘আসাদ নুর ব্লগ’ থেকে কুরআন শরীফ, হজরত মুহাম্মদ (স:) ও ইসলাম ধর্ম নিয়ে আজেবাজে কটূক্তি করে ভিডিয়োগুলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করছেন।

ওই ঘটনায় তার বিরুদ্ধে ২০২০ ও ২০২১ সালে সাইবার ট্রাইব্যুনালে চট্টগ্রাম জেলার রাঙ্গুনিয়া থানায় এবং ঢাকায় পৃথক দুটি মামলা হয়। ওই মামলা দুটিতে তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি রয়েছে। গত তিন বছরেও পুলিশ তাকে গ্রেফতার করতে পারেনি।

এরপর চলতি বছরের ৪ আগস্ট তার ‘আসাদ নুর ব্লগ’ থেকে হজরত মুহাম্মদ (স:) ও পবিত্র কুরআন শরীফ নিয়ে আজেবাজে কটূক্তি করে ভিডিয়ো সামাজিক মাধ্যমে ছেড়ে দেয়। মুহূর্তের মধ্যেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ওই ভিডিয়ো ভাইরাল হয়ে যায়।

নাস্তিক আসাদ নুরের বিচার দাবি করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম উত্তাল হয়ে উঠায় আসাদ নুরকে গ্রেফতার করতে গতকাল সোমবার রাতে তার গ্রামের বাড়িতে পুলিশ অভিযান পরিচালনা করেন। কিন্তু তাকে বাড়িতে পাওয়া যায়নি।

স্থানীয়দের দাবি, আসাদ নুরের সাথে তার পরিবারের যোগাযোগ রয়েছে। তার দেয়া অর্থ দিয়েই তারা জীবন-যাপন করছেন। আসাদ নুর কোথায় আছে বা তার অবস্থান তারা জানেন। কিন্তু পুলিশি হয়রানীর ভয়ে তারা সব লুকিয়ে যাচ্ছেন।

স্থানীয়রা বলেন- ২০২১ সালে আসাদ এলাকায় ফিরে এসে নিজেকে শুধরে নিয়েছেন বলে দাবি করে বাড়িতে অবস্থান নেন। কিছু দিন পরে তিনি আবার বাড়ি থেকে চলে যান।

আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী সাখাওয়াত হোসেন তপু বলেন, নাস্তিক আসাদুজ্জামান আসাদ নুরের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম জেলার রাঙ্গুনিয়া ও ঢাকায় সাইবার ট্রাইব্যুনালে দুইটি মামলা আছে। দুটি মামলায়ই তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি রয়েছে। তাকে গ্রেফতার করতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে।