হিলিতে কমেছে পেঁয়াজের দাম


বাংলাদেশের কণ্ঠ ডেস্ক প্রকাশের সময় : অগাস্ট ১০, ২০২৩, ৫:০১ অপরাহ্ন /
হিলিতে কমেছে পেঁয়াজের দাম

আজকালের কন্ঠ ডেস্ক : এক সপ্তাহের ব্যবধানে দিনাজপুরের হিলিতে কমেছে ভারত থেকে আমদানিকৃত পেঁয়াজের দাম। কেজি প্রতি প্রকারভেদে ৩ থেকে ৭ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে ৩২ থেকে ৩৩ টাকা দরে। ভারত থেকে বেশি পরিমাণ আমদানি হওয়ার কারণে কমেছে দাম বলছেন খুচরা ব্যবসায়ীরা। দাম কমলেও ক্রেতা অনেকটাই কম। দাম কিছুটা কমাতে স্বস্তি ফিরেছে সাধারণ ক্রেতাদের মাঝে।

বৃহস্পতিবার (১০ আগস্ট) দুপুরে হিলি বাজার ঘুরে এ তথ্য পাওয়া যায়। তবে ক্রেতাদের অভিযোগ ভারত থেকে আমদানি অব্যাহত থাকলেও ২০ টাকা পেঁয়াজ কেন ৩০ টাকার ওপরে সেই বিষয়ে প্রশাসনকে ক্ষতিয়ে দেখার অনুরোধ জানিয়েছেন।

হিলি বাজারে পেঁয়াজ কিনতে আসা আমিনুল ইসলাম খাবার হোটেলের মালিক বলেন, আমার খাবার হোটেল আছে। প্রতিদিন ১০ কেজির ওপরে পেঁয়াজ লাগে। প্রতিদিন পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে। অন্যদিকে কাঁচামরিচ, আদা, রসুনসহ সব নিত্যপণ্যের দামই বেশি। খাবার হোটেল চালাতে খুব সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। যদি খাবারের দাম একটু বেশি নেওয়া হয় তখন ক্রেতারা তর্ক করে। খুব সমস্যার মধ্যেই হোটেল চালাতে হচ্ছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত বাজার মনিটরিং করা হতো তাহলে কিছু কিছু অসাধু ব্যবসায়ী দাম বৃদ্ধি করতে সাহস পেতো না।

হিলি পানাম পোর্টের জনসংযোগ কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন বলেন, হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে যে সব কাঁচা পণ্য আমদানি হয়ে থাকে আমরা সেই সব পণ্য আগে খালাস করার জন্য আমদানিকারকদের সহযোগিতা করে থাকি। ভারতীয় ট্রাক থেকে খালাস পূর্বক ব্যবসায়ীরা দেশের বিভিন্ন স্থানে সেই পণ্য সরবরাহ করে থাকে। বর্তমানে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি অব্যাহত রয়েছে।

হিলি বাজারের পেঁয়াজ বিক্রেতা শাকিল মাহমুদ বলেন, ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি অব্যাহত রয়েছে। যার ফলে এক সপ্তাহের ব্যবধানে কিছুটা দাম কমেছে। কেজি প্রতি ৩ থেকে ৭ টাকা কমে বর্তমানে প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৩২ থেকে ৩৩ টাকা দরে। তবে আগের মতো ক্রেতা নেই বললেই চলে। আগে আমরা ৮ থেকে ১০ বস্তা পেঁয়াজ বিক্রি করতাম, এখন ৩ থেকে ৪ বস্তা পেঁয়াজ বিক্রি করাই কষ্টকর হয়ে পড়েছে।

হিলি কাস্টমসের তথ্য মতে, চলতি সপ্তাহের ৫ কর্ম দিবসে ভারতীয় ২২১ ট্রাকে ৬ হাজার ৬৩২ মেট্রিকটন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে হিলি স্থল বন্দর দিয়ে।