ভেদরগঞ্জে প্রতিনিয়ত বাড়ছে ডেঙ্গু রোগী,আতঙ্কে স্থানীয়রা


বাংলাদেশের কণ্ঠ ডেস্ক প্রকাশের সময় : অগাস্ট ১২, ২০২৩, ১১:৫৯ পূর্বাহ্ন /
ভেদরগঞ্জে প্রতিনিয়ত বাড়ছে ডেঙ্গু রোগী,আতঙ্কে স্থানীয়রা

শরীয়তপুর প্রতিনিধি : শরীয়তপুরে ভেদরগঞ্জে প্রতিনিয়ত বাড়ছে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। প্রতিদিনই পরীক্ষা করে ডেঙ্গু শনাক্ত হচ্ছে ২০-২৫ জনের, হাসপাতালে একদিনে ভর্তি হচ্ছেন ১০-১২ জনেরও বেশি। এতে করে আতঙ্কে দিন পার করছেন স্থানীয়রা।

গত বৃহস্পতিবার (১০ আগষ্ট ) দুপুর পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ভেদরগঞ্জ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২৩ জন।

ভেদরগঞ্জ হাসপাতালে গিয়ে জানা গেছে, এই উপজেলায় প্রায় প্রতিদিনই ডেঙ্গু রোগের উপসর্গ নিয়ে বিভিন্ন বয়সী রোগীরা চিকিৎসা নিচ্ছেন। এর মধ্যে অর্ধেকের বেশি রোগী ভেদরগঞ্জ পৌরসভা,মহিষার ইউনিয়ন, ডিএমখালি ইউনিয়নের বাসিন্দা। এজন্য ভেদরগঞ্জ হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীদের জন্য আলাদা ইউনিট খোলা হয়েছে। তবে আক্রান্ত হওয়া অধিকাংশ রোগী ঢাকা থেকে আসা।

এদিকে এডিস মশার আতঙ্কে পৌর এলাকার ড্রেনগুলো পরিষ্কার করার পাশাপাশি খানাখন্দ ও ডোবায় জমে থাকা পানি নিষ্কাশনের দাবি জানিয়েছে পৌরবাসী। পৌর বাসি অভিযোগ করে বলেন ভেদরগঞ্জ পৌরসভার বেশ কয়েকটি যায়গায় এখনো মশার ঔষধ দেওয়া হয় নি। বিভিন্ন ওয়ার্ডে ড্রেনেজ ব্যবস্থা তেমন নেই। ময়লা পানি জমে থাকে তাই ডেঙ্গু হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। আমারা চাই দ্রুত ভেদরগঞ্জ পৌরসভার বিভিন্ন ড্রেনেজ গুলো পরিষ্কার করা হউক।

ভেদরগঞ্জ পৌরসভার মেয়র আবুল বাসার চোকদার মুঠোফোনে বলেন, পৌরসভার পক্ষ থেকে মাইকিং করে ডেঙ্গু সম্পর্কে সচেতনতামূলক প্রচারণা চালানো হচ্ছে। একই সঙ্গে মশা নিধনের ওষুধ ব্যবহার করা হচ্ছে। সবাই মিলে এডিস মশা নিধনের জন্য নিয়ম মেনে চললে শহরে ডেঙ্গু রোগ কমবে বলে আমি মনে করি।

ভেদরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ড. হাসান ইবনে আমিন বলেন, আক্রান্তের মধ্যে অনেকেই ঢাকায় চাকরি করেন। আবার অনেকেই বেড়াতে বা কোনো কাজে গিয়ে আক্রান্ত হয়েছেন। বর্তমানে ভেদরগঞ্জে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে। এখন পর্যন্ত ভেদরগঞ্জ হাসপাতালে ২৩ জন রুগী ভর্তি রয়েছে এবং ১৯৪ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। উন্নত চিকিৎসার জন্য ৫ জনকে ঢাকায় রেফার করা হয়েছে। আবার অনেকেই বাড়ি থেকে ওষুধ সেবন করছেন। তাদের বিশেষ করে বাসাবাড়িতে যেন পানি জমে না থাকে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে বলা হয়েছে।