বাতাসে যেন ঝরছে আগুনের ফুলকি, হাঁসফাঁস জীবন


বাংলাদেশের কণ্ঠ ডেস্ক প্রকাশের সময় : এপ্রিল ২০, ২০২৪, ৭:০০ অপরাহ্ন /
বাতাসে যেন ঝরছে আগুনের ফুলকি, হাঁসফাঁস জীবন

গত কয়েকদিন ধরে বাড়ছে রোদের তেজ। দুপুর হতেই মাথার ওপর খাড়াভাবে তাপ দিচ্ছে সূর্য। বাতাসে যেন ঝরছে আগুনের ফুলকি। সেই সঙ্গে আর্দ্রতা বেড়ে যাওয়ায় বেড়েছে অস্বস্তি। রোদের তাপ ও ভ্যাপসা গরমে জনজীবনে হাঁসফাঁস অবস্থা। অসহনীয় এ গরমের সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে খেটে খাওয়া মানুষদের জীবনে।

শনিবার (২০ এপ্রিল) যশোরে দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪২.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। তীব্র তাপপ্রবাহে পুড়ছে এ জেলা। চুয়াডাঙ্গায়ও তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে, এ জেলায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৪২.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। পাবনার ঈশ্বরদীতে ৪১ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। দাবদাহে পাবনা শহরে হিট স্ট্রোক করে একজনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। ঢাকায় এদিন তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রির ঘর পার করেছে।

দাবদাহে স্বস্তি পেতে প্রাণ যেখানে ছায়া খুঁজে, সেখানে রুটি-রুজির জন্য বাধ্য হয়ে ঘর থেকে বের হতে হচ্ছে নিম্নআয়ের মানুষদের। গরমে ঘামে শরীরের ভেজা জামা নিয়ে রিকশা চালিয়ে মগবাজার থেকে মালিবাগ রেলগেট হয়ে রামপুরা পর্যন্ত এসেছেন রিকশা চালক ইদ্রিস আলী। তিনি বলেন, এত গরমে জীবন আর চলে না। গরমে ঘামে পুরো শরীর ভিজে গেছে। গরমে যাত্রীও খুব কম, কারণ খুব প্রয়োজন ছাড়া মানুষ ঘর থেকে বের হচ্ছে না। আমার মতো যারা শ্রমজীবী তাদের গরম-শীত-বৃষ্টি কি? প্রতিদিন বের হতে হয়। রোদে পুড়ে যাচ্ছি, শরীর বেয়ে ঘাম পড়ছে, তবুও যাত্রী টানতে হচ্ছে। মাঝে মাঝে যাত্রী না থাকলে কোনো গাছ পেলে তার নিচে শরীর জুড়িয়ে নিচ্ছি। কাজে বের না হলে পরিবারের সবাইকে না খেয়ে থাকতে হবে।